বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১১

বাহুবল হাসপাতালে নিম্নমানের খাবার দেখে উপজেলা চেয়ারম্যানের ক্ষোভ


স্টাফ রিপোর্টার গত সোমবার রাতে বাহুবল হাসপাতাল পরিদর্শন করতে গিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী  নিম্নমানের খাবার দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বাহুবল হাসপাতালে রোগীদের নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করে আসছে স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদার আবুল কালাম। জনগণ দীর্ঘদিন ধরে নিরবে এই খাবার মানের ব্যাপারে সহ্য করে আসলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। উপজেলা চেয়ারম্যান বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও প্রভাবশালী মহলের কারণে তিনি তেমন কিছু করতে পারেননি। সব সময়ই বাবুর্চির দূর্নীতের কথা বলে ঠিকাদার পাড় পেয়ে যায়। সরকারী খাদ্য তালিকায় ৩১ জন রোগীকে ১৮০ গ্রাম করে মাছ সরবরাহের কথা। কিন্তু গত সোমবার উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রশ্নের জবাবে ঠিকাদার আবুল কালাম জানায় সে কেজি মাছ কিনে বাবুর্চিকে দিয়েছে। বাবুর্চি কেন এত ছোট মাছের পিছ দিল এবং মাছ কি করল সে জানেনা। উপজেলা চেয়ারম্যান ঠিকাদারের কথায় সন্তোষ্ঠ হয়ে কিছু না বললেও এই উত্তরে সন্তুষ্ট হতে পারেনি ওয়ার্ডের ভর্তি হওয়া রোগীগণ। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোঃ মকছুদ মিয়া জানান, বাবুর্চি কম ওজনের মাছের টুকরো দিতে বাধ্য। কারণ ১৮০ গ্রাম মাছ ৩১ জন রোগীকে দিতে হলে সরকারী হিসাবমত ঠিকাদারের দেবার কথা কেজি ৫৮০ গ্রাম। কিন্তু ঠিকাদার দূর্নীতি করে কেজি ৫৮০ গ্রাম কম দিয়েছে। যা উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে ¯^xKviI করেছে। উপজেলা চেয়ারম্যান যখন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন তখন সন্ধ্যা টার পর। বাবুর্চি ওই দিন তিন বেলার খাবার দিয়ে কর্তব্য দায়িত্ব পালন করে ব্যক্তিগত কাজে বাসায় চলে যায়। তাই বাবুর্চির পলায়ন দূর্নীতির কথা বললেও আসলে প্রভাবশালী মহলের দূর্নীতির থলের বিড়ালই বেড়িয়ে আসছে।

কোন মন্তব্য নেই: