শায়েস্তাগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ শায়েস্তাগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মশা-মাছি ও বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব দিন দিন আশঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে। এতে অতিষ্ট হয়ে পড়ছে স্থানীয় লোকজন। শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়ন, পৌরসভা ও নুরপুর ইউনিয়ন নিয়ে ২০০১ সালে গঠিত শায়েস্তাগঞ্জ থানার গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন পাড়া মহলাসহ অলি-গলির ড্রেন, ঝোপ-ঝাড়, বাড়ীর পার্শ্ববর্তী জলাশয়গুলোতে মশা জন্ম নেয়। ময়লা আবর্জনার স্তুপ থেকে মাছি বিভিন্ন খাবারে গিয়ে বসে। একটু সুযোগ পেলেই মশা লোকজনকে কামড় দেয়। মশা-মাছির পাশাপাশি বৃদ্ধি পেয়েছে বেওয়ারিশ কুকুর। কুকুরের উপদ্রবে লোকজন পথ চলতে ভয় পাচ্ছে। শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরে গত কয়েক বছরে দুই দফায় কুকুর নিধন করা হয়। এর পাশাপাশি মশা-মাছি নিধনে মেশিনের মাধ্যমে ঔষধ দেওয়া হয় পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে। যদিও পৌর এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়ে থাকে। শায়েস্তাগঞ্জের ইউনিয়নগুলোর বিভিন্ন এলাকায় কুকুর ও মশা নিধন করার কোন ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। যেমন ভাবে লোকজনকে মশায় কামড়ায় তেমনি করে মাছিগুলো ময়ংলা আবর্জনা থেকে গিয়ে বিভিন্ন খাবারে বসে। এসব খাবার খেয়ে লোকজন ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ডাক্তারের ¯^iYvcbœ হতে হচ্ছে। এদিকে শায়েস্তাগঞ্জের প্রায় দেড় লাখ লোকের ¯^v¯’¨ সেবার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড এলাকার ৯৪ শতক জমির উপর রয়েছে একটি Dc¯^v¯’¨ কেন্দ্র। মশা-মাছির সাথে পালা দিয়ে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বেওয়ারিশ কুকুর। অনেক সময় কুকুর লোকজনকে কামড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে মশা-মাছি আর বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে স্থানীয় লোকেরা। স্যানেটারী ইন্সপেক্টর আব্দুল কাদির জানান. জরুরী হয়ে পড়েছে মশা-মাছি ও কুকুর নিধন। স্থানীয় বাসিন্দা ভিংরাজ মিয়া জানান, মশার জ্বালায় দিনের বেলায় কয়েল জ্বালিয়ে বসবাস করছেন। বস্তি এলাকার বাসিন্দা রজব আলী বলেছেন, মশা-মাছির জ্বালায় তিনিসহ তার আশপাশের লোকেরা অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। পথচারী সুমন মিয়া জানান, বাড়ী ফিরতে ভয় লাগে কুকুরের জন্য। কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের দাবী কুকুর, মশা-মাছি নিধন করতে অভিযান পরিচালনা করার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন